আমাদের বৈশিষ্ট্য
১। মাদরাসাটি তালিমের সাথে সাথে তরবিয়ত করা।
শিক্ষার্থীদের শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, বরং তাদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
২। চব্বিশ ঘণ্টা আমলি পরিবেশে সুন্নতের অনুশীলন করানো।
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সুন্নতের সঠিক অনুশীলনে উৎসাহিত করা হয়, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হয়।
৩। সকালে নাস্তার ছুটির সাথে ইশরাক এর সালাত, ১০ টায় ঘুমের আগে চাশতের সালাত আদায়, বাদ আসর তালিম ও ২/৩ জন মিলে ঈমানী মোযাকারা, বাদ মাগরিব আওয়াবিন সালাত আদায়, রাতে শোয়ার আগে নামাযের মধ্যে তিলাওয়াত ও রাতে তাহাজ্জুদের আমল।
নিয়মিত সালাত ও ইবাদতের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধ্যাত্মিক জীবন উন্নত করা হয়।
৪। বড়ো শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘন্টার জামাতে যাওয়া, বৃহস্পতিবার শবগুজারীতে শিরকত করা এবং বন্ধের সময় ৭/১০ জামাত ও রমাদানে চিল্লার জামাতে বের হওয়ার কোশেশ করা।
শিক্ষার্থীদের দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে উৎসাহিত করা হয়।
৫। পড়াশোনার পাশাপাশি কিতাব বিভাগের তামরিন করানো।
তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের উপরও জোর দেওয়া হয়।
৬। বছরের শেষে হামদ, নাত, তিলাওয়াত, আরবি, বাংলা ও ইংরেজি হস্তাক্ষর প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করে পুরষ্কার ব্যবস্থা।
শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
৭। মাদানি নেসাব এর পাশাপাশি স্কুল ও আলিয়া মাদ্রাসার পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করানো।
আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায়ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
৮। সর্বোপরি আরবি, উর্দু ও ইংরেজিতে পারদর্শী করে সারা পৃথিবীতে দাওয়াতের উপযোগী করে গড়ে তোলা।
শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা হয়, যাতে তারা বিশ্বব্যাপী দাওয়াতের কাজ করতে পারে।
৯। মোট কথা ইলম হাসিল করার উদ্দেশ্য দুনিয়া হাসিল নয় বরং আখিরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।
শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।
১০। আমরা শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে শাসন নয় বরং বুঝিয়ে এবং কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম এ প্রাধান্য দিয়ে থাকি।
শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ এবং কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে শিক্ষাদান করা হয়।
১১। হিফয সমাপনী করে যারা কিতাব বিভাগ এ আসে তাদের জন্য ১ ঘন্টা বাদ ফজর ও বাদ মাগরিব কুরআনুল কারিম ইয়াদ করা ও শুনানোর ব্যবস্থা।
হিফয সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের জন্য কুরআনুল কারিম ইয়াদ ও শুনানোর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।